পাকিস্তান দূতাবাস অভিমুখী গণজাগরণ মঞ্চের মিছিলে পুলিশ ব্যাপক
লাঠিপেটা করেছে। এ সময় সেখান থেকে ১০ কর্মীকে আটক করা হয়। হামলায় আহত
গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ২৫ মিনিটের দিকে গুলশান-২ এর তাহের টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্সের সামনে থেকে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের আটক করে পুলিশ। পরে তাদেরকে একটি গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান জোনের কমিশনার শাহাবুদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক ১০ জনকে নিকটস্থ থানায় নেয়া হবে।
তবে নিরাপত্তার কারণে থানার নাম বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় বাস্তবায়নের পর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণ ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানোয় দেশটির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য বুধবার বিকালে সরকারকে ২০ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ।
সেই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকালে আবারো গুলশান-২ এ জড়ো হন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা, সেখান থেকেই পাকিস্তান দূতাবাস অভিমুখে মিছিল নিয়ে যাওয়ার কর্মসূচি ছিল।
মিছিলের প্রস্তুতির সময়েই কর্মীদেরকে আটক করা হয়। এ সময় গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে আটক করা হলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু পরে আবার হামলা হলে ইমরান আহত হন। তাকে হাসপাতালে নেয়া হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
আটকদের মধ্যে ৮ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন- হুমায়ুন আজাদের ছেলে অনন্য আজাদ, রওশন আজাদ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান, শায়লা আহমেদ লুপা, মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর, শাম্মি আক্তার, জাহাঙ্গীর ও শিপ্রা বোস। বাকিদের নাম জানাতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে এক প্রতিক্রিয়ায় ইমরান এইচ সরকার বলেন, আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই। শান্তিপূর্ণ মিছিল থেকে পুলিশ আমাদের কর্মীদের ধরে নিয়ে গেছে। পুলিশের এ ব্যবহারে আমরা অবাক হয়েছি।
তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ কর্মীদের লাঠিপেটা করার আগে বন্দুকের নল দিয়ে আঘাত করেছে। এটা মেনে নেয়া যায় না।
যারাই পাকিস্তানের পক্ষ নেবে জনগণ তাদের প্রতিহত করবে, বলেন ইমরান এইচ সরকার।
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির বলেন, কাকে রাজাকার আর কাকে দেশপ্রেমিক বলব বুঝতে পারছি না। এমন একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা ও আটকের ঘটনা ঘটতে পারে তা ধারণার বাইরে। আমরা ক্ষুব্ধ, মর্মাহত।
গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক খান আসাদুজ্জামান মাসুম ও শামস রাশেদ জয় এটিএন টাইমসকে জানান, ইমরান এইচ সরকাকে নিয়ে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে গুলশান এলাকায় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পুলিশ তখনো গুলশানের বিভিন্ন গলিতে গলিতে কর্মীদের আটক করতে অভিযান চালাচ্ছিল।
এ অবস্থার মধ্যেও গুলশান-২ এর গোলচত্বরের পাশে ৪-৫ জন কর্মী শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেন।
এর আগে বুধবার বিকালে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশি বাধা পেরিয়ে মিছিল নিয়ে পাকিস্তান দূতাবাস ঘেরাও করে। এ সময় মিছিলকারীরা ক্ষোভ ও ঘৃণায় দূতাবাস লক্ষ্য করে জুতা ও থুতু নিক্ষেপ করে। মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনী, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক বাপ্পাদিত্য বসুসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লার রায় কার্যকর করা হয়।
এরপর সোমবার ‘ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের’ একনিষ্ঠ সমর্থক কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডের প্রতিবাদে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী সেদেশে রাজপথে বিক্ষোভ করে। পাশাপাশি এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব পাস হয়, যার জন্য পাকিস্তানের জামায়াত ইসলামীর একজন সাংসদ উদ্যোগ নেন।
মঙ্গলবার এর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানানো হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে নিষেধ করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ২৫ মিনিটের দিকে গুলশান-২ এর তাহের টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্সের সামনে থেকে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের আটক করে পুলিশ। পরে তাদেরকে একটি গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান জোনের কমিশনার শাহাবুদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক ১০ জনকে নিকটস্থ থানায় নেয়া হবে।
তবে নিরাপত্তার কারণে থানার নাম বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় বাস্তবায়নের পর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণ ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানোয় দেশটির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য বুধবার বিকালে সরকারকে ২০ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ।
সেই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকালে আবারো গুলশান-২ এ জড়ো হন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা, সেখান থেকেই পাকিস্তান দূতাবাস অভিমুখে মিছিল নিয়ে যাওয়ার কর্মসূচি ছিল।
মিছিলের প্রস্তুতির সময়েই কর্মীদেরকে আটক করা হয়। এ সময় গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে আটক করা হলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু পরে আবার হামলা হলে ইমরান আহত হন। তাকে হাসপাতালে নেয়া হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
আটকদের মধ্যে ৮ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন- হুমায়ুন আজাদের ছেলে অনন্য আজাদ, রওশন আজাদ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান, শায়লা আহমেদ লুপা, মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর, শাম্মি আক্তার, জাহাঙ্গীর ও শিপ্রা বোস। বাকিদের নাম জানাতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে এক প্রতিক্রিয়ায় ইমরান এইচ সরকার বলেন, আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই। শান্তিপূর্ণ মিছিল থেকে পুলিশ আমাদের কর্মীদের ধরে নিয়ে গেছে। পুলিশের এ ব্যবহারে আমরা অবাক হয়েছি।
তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ কর্মীদের লাঠিপেটা করার আগে বন্দুকের নল দিয়ে আঘাত করেছে। এটা মেনে নেয়া যায় না।
যারাই পাকিস্তানের পক্ষ নেবে জনগণ তাদের প্রতিহত করবে, বলেন ইমরান এইচ সরকার।
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির বলেন, কাকে রাজাকার আর কাকে দেশপ্রেমিক বলব বুঝতে পারছি না। এমন একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা ও আটকের ঘটনা ঘটতে পারে তা ধারণার বাইরে। আমরা ক্ষুব্ধ, মর্মাহত।
গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক খান আসাদুজ্জামান মাসুম ও শামস রাশেদ জয় এটিএন টাইমসকে জানান, ইমরান এইচ সরকাকে নিয়ে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে গুলশান এলাকায় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পুলিশ তখনো গুলশানের বিভিন্ন গলিতে গলিতে কর্মীদের আটক করতে অভিযান চালাচ্ছিল।
এ অবস্থার মধ্যেও গুলশান-২ এর গোলচত্বরের পাশে ৪-৫ জন কর্মী শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেন।
এর আগে বুধবার বিকালে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশি বাধা পেরিয়ে মিছিল নিয়ে পাকিস্তান দূতাবাস ঘেরাও করে। এ সময় মিছিলকারীরা ক্ষোভ ও ঘৃণায় দূতাবাস লক্ষ্য করে জুতা ও থুতু নিক্ষেপ করে। মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনী, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক বাপ্পাদিত্য বসুসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লার রায় কার্যকর করা হয়।
এরপর সোমবার ‘ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের’ একনিষ্ঠ সমর্থক কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডের প্রতিবাদে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী সেদেশে রাজপথে বিক্ষোভ করে। পাশাপাশি এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব পাস হয়, যার জন্য পাকিস্তানের জামায়াত ইসলামীর একজন সাংসদ উদ্যোগ নেন।
মঙ্গলবার এর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানানো হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে নিষেধ করা হয়।

Post a Comment
0 comments
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.