একটা সময়ে জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন ‘সিলভার
লাইনিংস প্লেবুক’ তারকা ব্র্যাডলি কুপার। সম্প্রতি ‘জিকিউ’ ম্যাগাজিনে
দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে এমনটাই জানিয়েছেন ৩৮ বছর বয়সী মার্কিন এ অভিনেতা।
সম্প্রতি ‘জিকিউ’ ম্যাগাজিনের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় অতীত জীবন নিয়ে খোলামেলা অনেক কথাই বলেছেন ‘সিলভার লাইনিংস প্লেবুক’ ছবির জন্য অস্কার মনোনয়ন পাওয়া এ তারকা। তিনি জানিয়েছেন, ‘হলিউড অভিষেকের আগে খুবই খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। জীবনের প্রতি রীতিমতো বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলাম। ২০০২ সালে “অ্যালিয়াস’’ টিভি সিরিজে আমার চরিত্রটিকে কেটেছেঁটে একেবারে গুরুত্বহীন করে ফেলা হয়। তখন জীবনটাকে খুব তুচ্ছ মনে হচ্ছিল। একটা পর্যায়ে আত্মহত্যাও করতে চেয়েছিলাম আমি।’
কুপার আরও জানিয়েছেন, তিনি একটা সময়ে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন। অভিনয়ের বাইরে অন্য কোনো পেশা বেছে নেওয়ার জন্য হন্যে হয়ে কাজও খুঁজেছিলেন। এ ছাড়া ২০০০ সাল থেকে শুরু করে পরের কয়েকটি বছর মাদক ও অ্যালকোহল-আসক্তির কারণে পেশাজীবনে অনেক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন ‘দ্য আমেরিকান হাসল’খ্যাত এ তারকা অভিনেতা।
সম্প্রতি ‘জিকিউ’ ম্যাগাজিনের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় অতীত জীবন নিয়ে খোলামেলা অনেক কথাই বলেছেন ‘সিলভার লাইনিংস প্লেবুক’ ছবির জন্য অস্কার মনোনয়ন পাওয়া এ তারকা। তিনি জানিয়েছেন, ‘হলিউড অভিষেকের আগে খুবই খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। জীবনের প্রতি রীতিমতো বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলাম। ২০০২ সালে “অ্যালিয়াস’’ টিভি সিরিজে আমার চরিত্রটিকে কেটেছেঁটে একেবারে গুরুত্বহীন করে ফেলা হয়। তখন জীবনটাকে খুব তুচ্ছ মনে হচ্ছিল। একটা পর্যায়ে আত্মহত্যাও করতে চেয়েছিলাম আমি।’
কুপার আরও জানিয়েছেন, তিনি একটা সময়ে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন। অভিনয়ের বাইরে অন্য কোনো পেশা বেছে নেওয়ার জন্য হন্যে হয়ে কাজও খুঁজেছিলেন। এ ছাড়া ২০০০ সাল থেকে শুরু করে পরের কয়েকটি বছর মাদক ও অ্যালকোহল-আসক্তির কারণে পেশাজীবনে অনেক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন ‘দ্য আমেরিকান হাসল’খ্যাত এ তারকা অভিনেতা।

Post a Comment
0 comments
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.