ঢাকায়
নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতেরা আজ বাংলাদেশের ৪৩তম বিজয় দিবসের
রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার কথা থাকলেও সকালে তারা সাভার শহীদ
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে যাননি।
সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানেও তারা থাকতে পারবেন না বলে জানানো হয়। এ নিয়ে কূটনৈতিক ও দেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরপর সরকারী মহল থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে অবশেষে গণভবনে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য তাদেরকে রাজি করানো হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের পক্ষ থেকে আগেই জানিয়ে দেয়া হয়েছিল যে, বাংলাদেশের চলমান অস্থিরতা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রিপোর্ট তৈরি নিয়ে জরুরি বৈঠক থাকায় এসব অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতরা যোগ দিতে পারবেন না। বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাবে কিনা এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানানো হয়।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতিকে এক রকম কূটনৈতিক প্রতিবাদ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষক ৩৯টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালক মো. আবদুল আলিম জানান, সরকার আন্তর্জাতিক মহলের পরামর্শ উপেক্ষা করে এমন এটা একতরফা নির্বাচন করতে চলছে যা ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্রহণ করতে পারছে না। এটারই একটা কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ইইউভুক্ত দেশগুলো।
এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট কলামিস্ট জনাব সাদেক খান মনে করেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগকে কোনো রকম আমল না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভাবে স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের পরিচয় দিচ্ছেন বা বিশ্ব জনমতকে অবজ্ঞা করছেন তার প্রতি প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানেও তারা থাকতে পারবেন না বলে জানানো হয়। এ নিয়ে কূটনৈতিক ও দেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরপর সরকারী মহল থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে অবশেষে গণভবনে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য তাদেরকে রাজি করানো হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের পক্ষ থেকে আগেই জানিয়ে দেয়া হয়েছিল যে, বাংলাদেশের চলমান অস্থিরতা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রিপোর্ট তৈরি নিয়ে জরুরি বৈঠক থাকায় এসব অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতরা যোগ দিতে পারবেন না। বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাবে কিনা এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানানো হয়।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতিকে এক রকম কূটনৈতিক প্রতিবাদ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষক ৩৯টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালক মো. আবদুল আলিম জানান, সরকার আন্তর্জাতিক মহলের পরামর্শ উপেক্ষা করে এমন এটা একতরফা নির্বাচন করতে চলছে যা ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্রহণ করতে পারছে না। এটারই একটা কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ইইউভুক্ত দেশগুলো।
এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট কলামিস্ট জনাব সাদেক খান মনে করেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগকে কোনো রকম আমল না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভাবে স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের পরিচয় দিচ্ছেন বা বিশ্ব জনমতকে অবজ্ঞা করছেন তার প্রতি প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

Post a Comment
0 comments
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.