বাংলাদেশে
আগামী ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই মন্তব্য করে ওই
নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষক না পাঠাতে পরামর্শ দিয়েছেন
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ’র রাষ্ট্রদূতরা।
সোমবার ইইউ’র ব্রাসেলস সদর দপ্তরে সংস্থার রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটিতে পাঠানো এক প্রতিবেদনে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূতরা এই পরামর্শ দিয়েছে।
প্রতিবেদনে তারা বলেছেন, ইতোমধ্যেই অর্ধেকের বেশি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হওয়ায় নির্বাচনের আর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।
ইংরেজী দৈনিক নিউ এজ-এ বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে একজন সিনিয়র কূটনীতিক বলেন, ‘শুক্রবার পর্যন্ত কয়েকজন কূটনীতিক বলেছিলেন যে যেহেতু সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হচ্ছে তাই পর্যবেক্ষক পাঠানো উচিৎ এবং পর্যবেক্ষণ করেই গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।’
ওই কূটনীতিক বলেন, ‘আমরা যখন জানতে পারলাম যে ১৫৪ জন ইতোমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে, তখন সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বলতে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। যখন দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষের ভোটাধিকার থাকে না তখন, তাকে তো সাধারণ নির্বাচন বলা যায় না।’
ইইউ’র আরো একজন কূটনীতিক নিশ্চিত করেন যে, তারা পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সুপারিশ করেছেন। তিনি জানান, ব্রাসেলস সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে তাদের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হয়।
তবে প্রতিবেদনের অন্যান্য সুপারিশ সম্পর্কে জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করে তিনি জানান, ব্রাসেলস থেকে এই বিষয়ে জরুরি প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার ওই রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করে ইইউ’র রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কমিটি।
চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে জানিয়ে একজন কূটনীতিক জানান, নির্বাচনের পরদিন আগামী ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা শুরু করবে ইইউ।
ওই কূটনীতিক জানান, ‘(৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পরের দিন) বাংলাদেশ অন্য এক অবস্থানে চলে যাবে। তখন আমরা দেখব বাংলাদেশ কী সুবিধা পেয়ে আসছে আর কতটা হারাতে পারে।’
ইইউ বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) বাতিল করার কথাও ভাবছে বলে জানান ওই কূটনীতিকরা। তবে তারা আশঙ্কা করছেন, এতে রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষতির চেয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতিই বেশি।
জিএসপি সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশের ২২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাকের ৬০ ভাগেরও বেশি আমদানি করে ইইউ।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসে ঘোষিত নির্বাচন থেকে ইইউ পর্যবেক্ষক প্রত্যাহার করে নেয়ার পরপরই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এরপর ২ বছর সেই অবস্থা বহাল ছিল।
সোমবার ইইউ’র ব্রাসেলস সদর দপ্তরে সংস্থার রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটিতে পাঠানো এক প্রতিবেদনে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূতরা এই পরামর্শ দিয়েছে।
প্রতিবেদনে তারা বলেছেন, ইতোমধ্যেই অর্ধেকের বেশি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হওয়ায় নির্বাচনের আর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।
ইংরেজী দৈনিক নিউ এজ-এ বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে একজন সিনিয়র কূটনীতিক বলেন, ‘শুক্রবার পর্যন্ত কয়েকজন কূটনীতিক বলেছিলেন যে যেহেতু সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হচ্ছে তাই পর্যবেক্ষক পাঠানো উচিৎ এবং পর্যবেক্ষণ করেই গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।’
ওই কূটনীতিক বলেন, ‘আমরা যখন জানতে পারলাম যে ১৫৪ জন ইতোমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে, তখন সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বলতে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। যখন দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষের ভোটাধিকার থাকে না তখন, তাকে তো সাধারণ নির্বাচন বলা যায় না।’
ইইউ’র আরো একজন কূটনীতিক নিশ্চিত করেন যে, তারা পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সুপারিশ করেছেন। তিনি জানান, ব্রাসেলস সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে তাদের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হয়।
তবে প্রতিবেদনের অন্যান্য সুপারিশ সম্পর্কে জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করে তিনি জানান, ব্রাসেলস থেকে এই বিষয়ে জরুরি প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার ওই রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করে ইইউ’র রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কমিটি।
চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে জানিয়ে একজন কূটনীতিক জানান, নির্বাচনের পরদিন আগামী ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা শুরু করবে ইইউ।
ওই কূটনীতিক জানান, ‘(৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পরের দিন) বাংলাদেশ অন্য এক অবস্থানে চলে যাবে। তখন আমরা দেখব বাংলাদেশ কী সুবিধা পেয়ে আসছে আর কতটা হারাতে পারে।’
ইইউ বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) বাতিল করার কথাও ভাবছে বলে জানান ওই কূটনীতিকরা। তবে তারা আশঙ্কা করছেন, এতে রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষতির চেয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতিই বেশি।
জিএসপি সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশের ২২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাকের ৬০ ভাগেরও বেশি আমদানি করে ইইউ।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসে ঘোষিত নির্বাচন থেকে ইইউ পর্যবেক্ষক প্রত্যাহার করে নেয়ার পরপরই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এরপর ২ বছর সেই অবস্থা বহাল ছিল।

Post a Comment
0 comments
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.