ফেডারেশন
অব ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ফিফা) বিশ্বকাপ ট্রফি প্রদর্শনীর
শেষদিন চলছে। শেষদিন বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায় প্রদর্শনী শুরু হয়। শুরুর পর
থেকেই বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ বিশ্বকাপ ফুটবলের এই ট্রফি দেখতে হোটেল রেডিসন
ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে আসেন।
সকাল দশটায় আসে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল দল। এছাড়া বাংলাদেশ আর্মি ফুটবল দল, স্পেশাল অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী ও অন্যান্য অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফুটবল দল ট্রফি দেখার পর গণমাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়া জানায়।
প্রতিবন্ধী ফুটবল দলের খেলোয়াড় স্বপন বলেন, ‘প্রতিবন্ধীদের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলে আমরা বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপ নিয়ে আসব।
ট্রফি প্রদর্শনীর আয়োজন সম্পর্কে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে ট্রফি দেখতে আসে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমী ও খেলোয়াড়রা এতে অংশ নিয়েছে।
দুপুর সাড়ে ১২টায় আসবে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।
মঙ্গলবার বিকেলে ট্রফিটি বাংলাদেশে আসে। এর পর এটি নেয়া হয় বঙ্গভবনে। রাষ্ট্রপতি দেখার পর ট্রপিটি নেয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে।
বুধ ও বৃহস্পতিবার ট্রফিটি জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রদর্শন করার কথা ছিল।
পরিকল্পনা অনুসারে ট্রফিটির প্রদর্শনী বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আয়োজনের কথা থাকলেও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রেডিসন হোটেলে তা সরিয়ে নেয়া হয়। ফলে পূর্বপরিকল্পনার অনেক আয়োজনই দেখা যায়নি প্রধমদিনে প্রদর্শনীতে।
কোকাকেলার উদ্যোগে ট্রফিটি ৮৮টি দেশ ঘোরানো হবে।
সকাল দশটায় আসে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল দল। এছাড়া বাংলাদেশ আর্মি ফুটবল দল, স্পেশাল অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী ও অন্যান্য অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফুটবল দল ট্রফি দেখার পর গণমাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়া জানায়।
প্রতিবন্ধী ফুটবল দলের খেলোয়াড় স্বপন বলেন, ‘প্রতিবন্ধীদের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলে আমরা বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপ নিয়ে আসব।
ট্রফি প্রদর্শনীর আয়োজন সম্পর্কে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে ট্রফি দেখতে আসে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমী ও খেলোয়াড়রা এতে অংশ নিয়েছে।
দুপুর সাড়ে ১২টায় আসবে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।
মঙ্গলবার বিকেলে ট্রফিটি বাংলাদেশে আসে। এর পর এটি নেয়া হয় বঙ্গভবনে। রাষ্ট্রপতি দেখার পর ট্রপিটি নেয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে।
বুধ ও বৃহস্পতিবার ট্রফিটি জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রদর্শন করার কথা ছিল।
পরিকল্পনা অনুসারে ট্রফিটির প্রদর্শনী বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আয়োজনের কথা থাকলেও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রেডিসন হোটেলে তা সরিয়ে নেয়া হয়। ফলে পূর্বপরিকল্পনার অনেক আয়োজনই দেখা যায়নি প্রধমদিনে প্রদর্শনীতে।
কোকাকেলার উদ্যোগে ট্রফিটি ৮৮টি দেশ ঘোরানো হবে।

Post a Comment
0 comments
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.