শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে নয় জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক দিলীপ কুমার দেবনাথ বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো, সিলেট সদর উপজেলার নলকট গ্রামের বাসিন্দা গুলজার আহমদ, ছৈইল মিয়া, শাহিন আহমদ ওরফে শাহিন, মো. লাল মিয়া ওরফে লাল, সাইমুদ্দিন ওরফে সাইম, জামাল মিয়া, রাকিব মিয়া ওরফে আবদুর রকিব, মো. আবদুল্লাহ ও সেলিম মিয়া।
এদের মধ্যে রাকিব ঘটনার পর থেকেই পলাতক এবং নৌকার মাঝি গুলজার জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছে। রায় ঘোষণার সময় অন্যরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিল।
২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র দীপঙ্কর ঘোষ অনিক ও খায়রুল কবিরসহ ছয় শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের অদুরে চেঙ্গেরখাল নদীতে নৌ-ভ্রমণে যান। এসময় একটি ইঞ্জিন নৌকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১০-১২ যুবক দেশিয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
এক পর্যায়ে অনিক ও খায়রুলকে পিটিয়ে হত্যা করে পানিতে ফেলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। গভীর রাতে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় শাবির রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বাদি হয়ে জালালাবাদ থানায় মামলা করেন।
২০১২ সালের ১৫ জুন পুলিশ মামলার চার্জশিট দাখিল করে এবং একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে আসামিদের অভিযুক্ত করে মামলার চার্জ গঠন করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কিশোর কুমার কর। রায়ের পর তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক দিলীপ কুমার দেবনাথ বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো, সিলেট সদর উপজেলার নলকট গ্রামের বাসিন্দা গুলজার আহমদ, ছৈইল মিয়া, শাহিন আহমদ ওরফে শাহিন, মো. লাল মিয়া ওরফে লাল, সাইমুদ্দিন ওরফে সাইম, জামাল মিয়া, রাকিব মিয়া ওরফে আবদুর রকিব, মো. আবদুল্লাহ ও সেলিম মিয়া।
এদের মধ্যে রাকিব ঘটনার পর থেকেই পলাতক এবং নৌকার মাঝি গুলজার জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছে। রায় ঘোষণার সময় অন্যরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিল।
২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র দীপঙ্কর ঘোষ অনিক ও খায়রুল কবিরসহ ছয় শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের অদুরে চেঙ্গেরখাল নদীতে নৌ-ভ্রমণে যান। এসময় একটি ইঞ্জিন নৌকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১০-১২ যুবক দেশিয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
এক পর্যায়ে অনিক ও খায়রুলকে পিটিয়ে হত্যা করে পানিতে ফেলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। গভীর রাতে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় শাবির রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বাদি হয়ে জালালাবাদ থানায় মামলা করেন।
২০১২ সালের ১৫ জুন পুলিশ মামলার চার্জশিট দাখিল করে এবং একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে আসামিদের অভিযুক্ত করে মামলার চার্জ গঠন করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কিশোর কুমার কর। রায়ের পর তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

Post a Comment
0 comments
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.