ভোট
ছাড়াই সরকার গঠনের পথে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট।দশম জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হতে যাচ্ছেন জোটের ১৫৪ জন প্রার্থী। ।
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে ৩০০ আসনের মধ্যে কোনো পক্ষ ১৫১ আসন পেলেই
সরকার গঠন করতে পারবে। যদিও বাকি আসনে সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ করতে
হবে।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন যে প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে তাতে সংসদ নির্বাচনে ১৫১ আসনে একক প্রার্থী দেখা যাচ্ছে। এ তালিকা আরও বাড়তে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছে এমন ১৫১ জন এমপি প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের ১২৭ জন, এরশাদের জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৮ জন, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) ১ জন, জাসদের ৩ জন এবং ওয়ার্কাস পার্টির ২ জন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে জাসদের হাসানুল হক ইনু এবং জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদও রয়েছেন। তবে এ তালিকায় কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। আর নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে ১৬টি দল। বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে এ-ই প্রথম এতো প্রার্থী বিনা প্রতিন্দ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
যেসব আসনে একজন মাত্র বৈধ প্রার্থী রয়েছেন তাদেরকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করবে কমিশন। সারাদেশ থেকে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই এই তালিকা করা হচ্ছে।
বিরোধীদল বিএনপি নির্বাচনে না আসায় এবং কোথাও প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও মনোয়নপত্র বাতিল হয়ে যাওয়ায় সারাদেশে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এসব প্রার্থী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এছাড়া অনেক এলাকায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের এবং দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হলে বিনা ভোটে নির্বাচিত প্রার্থীর সংখ্যা আরো বাড়তো।
অবশ্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাওয়া ১৫১ জনকে নিয়ে সরকার গঠন করতে হলে জাতীয় পার্টিকে পাশে পেতে হবে আওয়ামী লীগের। কিন্তু এরশাদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়ায় এবং সিদ্ধান্তে এখনো অটল থাকায় তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তরে এরশাদের স্ত্রী রওশনের নেতৃত্বে একটি অংশ নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।গত বৃহস্পতিবার রওশনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের পর নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।
একই সঙ্গে সবচেয়ে কম সংখ্যক প্রার্থী নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দশম জাতীয় সংসদের এ নির্বাচন। যাচাই বাছাই, আপিল ও প্রত্যাহার শেষে এখন পর্যন্ত ৩০০ আসনের বিপরীতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা অতীতের সব নির্বাচন থেকে কম।
এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা পড়ে ১ হাজার ১০৭টি। যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়ে যায় ২৬০ জনের প্রার্থিতা। সে অনুযায়ী, বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৪৭ জন। পরে নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা বৈধ চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেন ১২৬ প্রার্থী। সেইসঙ্গে বৈধ ১২ প্রার্থীর বিরুদ্ধেও আপিল করা হয় কমিশনে। আপিল শুনানি শেষে ৩৭ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
বিনা প্রতিন্দ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের তালিকায় মহাজোট সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রভাবশালী নেতারাও রয়েছেন। এরা হলেন- সংসদের উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অন্তবর্তীকালীন সরকারের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, রাজিউদ্দিন রাজু, মেহের আফরোজ চুমকিসহ আরও কয়েকজন রয়েছ্নে।
বিরোধীদলকে বাদ দিয়ে ১৯৯৬ সালে নির্বাচন করে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। ১৫ ফেব্রুয়ারির সে নির্বাচনেও ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। তবে সে নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন এবারের চেয়ে পাঁচশ’রও বেশি। সে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ১ হাজার ৪৫০ জন প্রার্থী।
এতো কম প্রার্থীর অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশন বদ্ধপরিকর। কিন্তু তারা এ নির্বাচনকে একতরফা বলতে নারাজ। তাদের মতে, সব দলকে অংশ নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়া হয়েছে। কেউ অংশ না নিলে সেটা তাদেরই ব্যাপার।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ অবশ্য বারবারই সমঝোতার আশা প্রকাশ করছেন। তিনি একাধিকবার বলেছেন, ‘আমরা সমঝোতার অপেক্ষায় আছি। আশা করছি সবার অংশগ্রহণে সুন্দর একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন যে প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে তাতে সংসদ নির্বাচনে ১৫১ আসনে একক প্রার্থী দেখা যাচ্ছে। এ তালিকা আরও বাড়তে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছে এমন ১৫১ জন এমপি প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের ১২৭ জন, এরশাদের জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৮ জন, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) ১ জন, জাসদের ৩ জন এবং ওয়ার্কাস পার্টির ২ জন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে জাসদের হাসানুল হক ইনু এবং জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদও রয়েছেন। তবে এ তালিকায় কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। আর নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে ১৬টি দল। বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে এ-ই প্রথম এতো প্রার্থী বিনা প্রতিন্দ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
যেসব আসনে একজন মাত্র বৈধ প্রার্থী রয়েছেন তাদেরকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করবে কমিশন। সারাদেশ থেকে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই এই তালিকা করা হচ্ছে।
বিরোধীদল বিএনপি নির্বাচনে না আসায় এবং কোথাও প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও মনোয়নপত্র বাতিল হয়ে যাওয়ায় সারাদেশে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এসব প্রার্থী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এছাড়া অনেক এলাকায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের এবং দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হলে বিনা ভোটে নির্বাচিত প্রার্থীর সংখ্যা আরো বাড়তো।
অবশ্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাওয়া ১৫১ জনকে নিয়ে সরকার গঠন করতে হলে জাতীয় পার্টিকে পাশে পেতে হবে আওয়ামী লীগের। কিন্তু এরশাদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়ায় এবং সিদ্ধান্তে এখনো অটল থাকায় তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তরে এরশাদের স্ত্রী রওশনের নেতৃত্বে একটি অংশ নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।গত বৃহস্পতিবার রওশনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের পর নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।
একই সঙ্গে সবচেয়ে কম সংখ্যক প্রার্থী নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দশম জাতীয় সংসদের এ নির্বাচন। যাচাই বাছাই, আপিল ও প্রত্যাহার শেষে এখন পর্যন্ত ৩০০ আসনের বিপরীতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা অতীতের সব নির্বাচন থেকে কম।
এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা পড়ে ১ হাজার ১০৭টি। যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়ে যায় ২৬০ জনের প্রার্থিতা। সে অনুযায়ী, বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৪৭ জন। পরে নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা বৈধ চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেন ১২৬ প্রার্থী। সেইসঙ্গে বৈধ ১২ প্রার্থীর বিরুদ্ধেও আপিল করা হয় কমিশনে। আপিল শুনানি শেষে ৩৭ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
বিনা প্রতিন্দ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের তালিকায় মহাজোট সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রভাবশালী নেতারাও রয়েছেন। এরা হলেন- সংসদের উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অন্তবর্তীকালীন সরকারের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, রাজিউদ্দিন রাজু, মেহের আফরোজ চুমকিসহ আরও কয়েকজন রয়েছ্নে।
বিরোধীদলকে বাদ দিয়ে ১৯৯৬ সালে নির্বাচন করে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। ১৫ ফেব্রুয়ারির সে নির্বাচনেও ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। তবে সে নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন এবারের চেয়ে পাঁচশ’রও বেশি। সে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ১ হাজার ৪৫০ জন প্রার্থী।
এতো কম প্রার্থীর অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশন বদ্ধপরিকর। কিন্তু তারা এ নির্বাচনকে একতরফা বলতে নারাজ। তাদের মতে, সব দলকে অংশ নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়া হয়েছে। কেউ অংশ না নিলে সেটা তাদেরই ব্যাপার।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ অবশ্য বারবারই সমঝোতার আশা প্রকাশ করছেন। তিনি একাধিকবার বলেছেন, ‘আমরা সমঝোতার অপেক্ষায় আছি। আশা করছি সবার অংশগ্রহণে সুন্দর একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

Post a Comment
0 comments
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.