উনি (খালেদা জিয়া) যদি হরতাল-অবরোধ বন্ধ করেন, মানুষ পুড়িয়ে মারা বন্ধ
করেন, গাছ কাটা বন্ধ করেন, তাহলে নির্বাচনের পর আলাপ-আলোচনায় সমঝোতা হলে
সংসদ ভেঙে নতুন নির্বাচন দেব। সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন হবে। এ জন্য
বিএনপিকে জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে হবে।’
গতকাল বৃহস্পতিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। দলের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত। বৈঠকে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বিরোধী দলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খুঁজে খুঁজে আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়িঘর পোড়াচ্ছেন। মানুষের ধৈর্যেরও সীমা আছে। এসব কর্মকাণ্ড আর বরদাশত করা হবে না। মানুষ হত্যা বন্ধ না করলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় যত কঠোর হওয়া দরকার, তত কঠোর হব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওনার (খালেদা জিয়া) অবরোধ শুধু দিনমজুর আর খেটে খাওয়া মানুষের বিরুদ্ধে। আর ছোট ছোট ছেলেমেয়ে যেন পরীক্ষা দিতে না পারে, তার জন্য।’
১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের আশা ছিল, বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ নেবে। এ জন্য আমরা জোটগতভাবে ছাড় দিয়ে প্রার্থী ঠিক করেছি। যখন বিরোধী দল নির্বাচনে আসেনি, তখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়াটা স্বাভাবিক। তার পরও নির্বাচনে ১২টি দল ও ৫৪০ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, জামায়াত নির্বাচনে না আসায় বিএনপিও আসছে না। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন সম্পন্নও হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে আর জামায়াত মাঠে নেমে মানুষ হত্যা করে, রগ কাটে। তারা হাজার হাজার গাছ কেটে রাস্তা বন্ধ করছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশবাদীদের সমালোচনা করে বলেন, এত হাজার হাজার গাছ কাটা হলো, কোনো একজন পরিবেশবাদী এ নিয়ে কিছুই বললেন না। মানুষ হত্যার প্রতিবাদও পাওয়া গেল না। কোনো সংগঠন একটি বিবৃতি দিল না।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় এসে প্রতিশোধ নিইনি। উন্নয়ন করেছি। আমাদের এই অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার জন্যই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।’ তিনি কাদের মোল্লার রায় কার্যকর নিয়ে পাকিস্তানের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, নতুন নির্বাচন দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মোহাম্মদ নাসিম প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘এ বক্তব্য না দিলেও পারতেন।’ জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘হরতাল-অবরোধ ছেড়ে, জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করে সংবিধান মেনে যদি বিএনপি আসে, তবে নতুন নির্বাচন হতে পারে। আমরা তো জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চাই না।’
বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে ১৪৬টি আসনে একটি প্রচার-সফরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত হয় কেন্দ্রীয় উপকমিটি গঠনের।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কাজী জাফর উল্যাহ, মোহাম্মদ নাসিম, নূহ-উল-আলম লেনিন প্রমুখ।
গতকাল বৃহস্পতিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। দলের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত। বৈঠকে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বিরোধী দলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খুঁজে খুঁজে আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়িঘর পোড়াচ্ছেন। মানুষের ধৈর্যেরও সীমা আছে। এসব কর্মকাণ্ড আর বরদাশত করা হবে না। মানুষ হত্যা বন্ধ না করলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় যত কঠোর হওয়া দরকার, তত কঠোর হব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওনার (খালেদা জিয়া) অবরোধ শুধু দিনমজুর আর খেটে খাওয়া মানুষের বিরুদ্ধে। আর ছোট ছোট ছেলেমেয়ে যেন পরীক্ষা দিতে না পারে, তার জন্য।’
১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের আশা ছিল, বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ নেবে। এ জন্য আমরা জোটগতভাবে ছাড় দিয়ে প্রার্থী ঠিক করেছি। যখন বিরোধী দল নির্বাচনে আসেনি, তখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়াটা স্বাভাবিক। তার পরও নির্বাচনে ১২টি দল ও ৫৪০ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, জামায়াত নির্বাচনে না আসায় বিএনপিও আসছে না। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন সম্পন্নও হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে আর জামায়াত মাঠে নেমে মানুষ হত্যা করে, রগ কাটে। তারা হাজার হাজার গাছ কেটে রাস্তা বন্ধ করছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশবাদীদের সমালোচনা করে বলেন, এত হাজার হাজার গাছ কাটা হলো, কোনো একজন পরিবেশবাদী এ নিয়ে কিছুই বললেন না। মানুষ হত্যার প্রতিবাদও পাওয়া গেল না। কোনো সংগঠন একটি বিবৃতি দিল না।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় এসে প্রতিশোধ নিইনি। উন্নয়ন করেছি। আমাদের এই অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার জন্যই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।’ তিনি কাদের মোল্লার রায় কার্যকর নিয়ে পাকিস্তানের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, নতুন নির্বাচন দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মোহাম্মদ নাসিম প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘এ বক্তব্য না দিলেও পারতেন।’ জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘হরতাল-অবরোধ ছেড়ে, জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করে সংবিধান মেনে যদি বিএনপি আসে, তবে নতুন নির্বাচন হতে পারে। আমরা তো জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চাই না।’
বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে ১৪৬টি আসনে একটি প্রচার-সফরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত হয় কেন্দ্রীয় উপকমিটি গঠনের।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কাজী জাফর উল্যাহ, মোহাম্মদ নাসিম, নূহ-উল-আলম লেনিন প্রমুখ।
Post a Comment
0 comments
Dear readers, after reading the Content please ask for advice and to provide constructive feedback Please Write Relevant Comment with Polite Language.Your comments inspired me to continue blogging. Your opinion much more valuable to me. Thank you.